বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

লা-মাযহাবী, ওয়াহাবীদের প্রতিষ্ঠাতা গুরু মুহাম্মদ বিন আব্দিল ওয়াহাব নজদীর ব্রিটিশ এজেন্ট হওয়ার নেপথ্যে চাঞ্চল্যকর কাহিনীঃ



মুহাম্মদ বিন আব্দিল ওয়াহাব নজদীর
লা-মাযহাবী, ওয়াহাবীদের প্রতিষ্ঠাতা গুরু মুহাম্মদ বিন আব্দিল ওয়াহাব নজদীর ব্রিটিশ এজেন্ট হওয়ার নেপথ্যে চাঞ্চল্যকর কাহিনীঃ
 প্রারম্ভিকাঃ
গুপ্তচর হ্যাম্পার একজন ব্রিটিশ গুপ্তচর। সিরিয়া, ইরাক, ইরান, হিযায এবং ইস্তাম্বুলে মুসলমানদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও অনৈক্য সৃষ্টিতে ব্রিটিশ সরকার তাকে বিশেষভাবে নিয়োগ দিয়েছিল । এই মিশন চলাকালীন সময় ওয়াহাবী সম্রাট মুহাম্মাদ বিন আব্দিল ওয়াহাব নামক এক লোকের সাথে পরিচয় ঘটেছিল। লোকটার গতিবিধি দেখেই হ্যাম্পার বুঝতে পেরেছিল, এই শিকার ধরতে পারলে মানে একে ব্রিটিশ এজেন্ট বানাতে পারলে আমার মিশন সফল। হ্যাম্পার শিকার বধে সর্বশক্তি নিয়োগ করলো এবং অবশেষে খুব ভালভাবেই সে সফল হলো।
তাহলে ঘটনাটি কী? কী ঘটেছিল?
লামাযহাবীদের শায়েখ তাহলে ব্রিটিশদের এজেন্ট!!!!!!
কীভাবে?
গুপ্তচর নিজেই এ চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস করেছে তার confessions of a British spy Hamper নামক আর্টিকেলে। এখানে আর্টিকেলটির সম্পূর্ণ হুবহু অনুবাদ না করা হলেও প্রাসঙ্গিক মূল বিষয়গুলো যথাযথভাবে তোলে ধরার চেস্টা করা হয়েছে।
জানতে হলে শুধু এক পর্ব পড়লেই হবেনা। সবগুলো পড়তে হবে।
তাই, আমাদের সাথে থাকুন, পড়ুন, শেয়ার করে অন্য ভাইকে জানতে দিন। সিরিয়াস।
----------------

পর্ব এক
_________________________________________
গুপ্তচর হেম্পার বলছে,
আমাদের গ্রেট ব্রিটেনের পরিসর হচ্ছে বিশাল। সাগর থেকে সূর্য উদিত হয় আবার সাগরে অস্ত যায়। ইন্ডিয়া, চীন এবং মধ্যপ্রাচ্যের সাথে পারস্পরিক সম্পর্কের বেলায় আমাদের স্টেট নিতান্তই দুর্বল। কারণ এই দেশগুলো এখনও আমাদের পুরো কর্তৃত্বে আসেনি। তো যাই হোক, আমরা কিন্তু এই সব এলাকার জন্য খুবই সফল কিছু পরিকল্পনা নিয়ে এগুচ্ছি। শীঘ্রই আমরা এদেরকে আমাদের কব্জায় নিয়ে আসব। আমাদের দুটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ আছেঃ
১-যে এলাকাগুলো আমরা ইতমধ্যে দখল করেছি, সেগুলো নিয়ন্ত্রণ করা
২- যেগুলো এখন ও নিয়ন্ত্রণে আসে নি, সেগুলোকে আয়ত্তে নিয়ে আসার চেষ্টা করা।
এ সংক্রান্ত বিষয়ে মন্ত্রণালয় একটি কমিশন করল। আমাকে বিশ্বাস করে ইস্ট ইন্ডিয়ার এডমিনিস্ট্রেটর বানানো হল। বাহ্যত এটি একটি ব্যবসা কম্পানী হলে ও মূলত এর প্রধান কাজ ছিল ভারতকে কব্জা করার কৌশল বের করা। আমাদের সরকার ভারতের ব্যাপারে মোটেও নার্ভাস ছিলনা এজন্য যে এখানকার জনগন বিভিন্ন জাতীয়বাদের, বিভিন্ন ভাষার। তাদের মধ্যে একসাথে বসবাস করার ক্ষেত্রে কন্ট্রাস্ট আছে। মানে এরা ঐক্যবদ্ধ নয়। আমাদের সরকার চীনের ব্যাপারে চিন্তিত নয়, কারণ এদের প্রধান ধর্ম হচ্ছে বুদ্ধিজম এবং কনফুসিয়াজম। এদের কোনটাই হুমকির কারণ নয়। উভয়টি ই মৃত ধর্ম, যাতে জীবনের প্রতি কোন উৎসাহ নেই। সুতরাং এ দুটু দেশের ব্যাপারে ব্রিটিশ সরকারের কোন মাথা ব্যথা নেই। তারা চিন্তিত ও নয়। কিন্তু ভবিষ্যতে যে কিছু ঘটবেনা, এটা ও আমরা মনে করতাম না বিধায় আমরা একটি সুদুর প্রসারী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছিলাম।
যেটি আমাদেরকে বেশী ভাবিয়ে তোলেছিল সেটা ছিল, মুসলিম দেশগুলো। ইতোমধ্যে অসুস্থ লোকের সাথে (অটমান এম্পায়ার) আমাদের বেশ কিছু চুক্তি আমাদের সুবিধার দিক বিবেচনায় হয়েছিল। আমাদের মন্ত্রণালয়ের অভিজ্ঞ অফিসাররা ভবিষ্যৎবাণী করেছিলেন, এই সুস্থ লোকটি (অটমান এম্পায়ার) এক শতাব্দীর ভিতরেই মারা যাবে। তাছাড়া আমরা ইরান সরকারের সাথে এমন কিছু গোপন চুক্তি করেছিলাম যা তাদের মেরুদন্ড ভেঙ্গে দিতে পারে। কিন্তু এত কিছুর পর ও আমাদের শান্তি ছিলনা, কারণ, আমরা এগুলো থেকে প্রত্যাশিত ফলাফল পাচ্ছিলাম না। এর পিছনে কতগুলো কারণ ছিল যা আমি নীচে উল্লেখ করছিঃ

কারণগুলো হচ্ছে,
১- মুসলমানরা সাংঘাতিকভাবে ইসলামের প্রতি নিবেদিত প্রাণ। প্রতিটি মুসলমান ইসলামের সাথে শক্তভাবে সম্পৃক্ত। এক্ষেত্রে প্রতিটি মুসলমানকে তুলনা করা চলে ঐ সকল প্রিস্টদের মত, যারা খ্রিষ্টান ধর্মের জন্য প্রাণ দিতে প্রস্তুত থাকে। মারা যাবে তবু ধর্ম ছাড়বে না। বেশী বিপদজনক মুসলিম হচ্ছে ইরানের শিয়ারা। কারন তারা যারা শিয়া নয় তাদেরকে বিধরমী ও ফাউল বলে থাকে। তাদের কাছে খ্রিস্টানরা ক্ষতিকর আবর্জনা ছড়া আর কিছু নয়। আমি একবার এক শিয়া কে জিজ্ঞাসা করলাম, আচ্ছা তোমরা কেন খ্রিস্টানদেরকে এমন মনে কর?
সে জবাব দিল, দেখ, ইসলামের নবী একজন মহান লোক ছিলেন। তিনি খ্রিস্টানদেরকে এক ধরণের আধ্যাত্মিক চাপের মধ্যে রেখেছিলেন যাতে তারা সঠিক পথের দিশা পেতে পারে। মূল বিষয় হল, এটি একজন বিপদজনক লোককে বশে আনার পলিসি ছাড়া কিছু নয়। এখানে যে আবর্জনার কথা বলা হচ্ছে, এটা জাগতিক কোন ব্যাপার নয়। এটি একটি আধ্যাত্মিক ব্যাপার।এটা শুধু খ্রিস্টানদেরকেই বলা হয় না, বরং এটা সুন্নী এবং সকল অমুসলিমদেরকেও বলা হয়ে থাকে।
আমি তাকে বললাম, ভাল, সুন্নী এবং খ্রিস্টানরা তো আল্লাহ, নবীগণ এবং পরকালকে বিশ্বাস করে, তবুও কেন তোমরা তাদেরকে ফাউল বল?
সে জবাব দিল, এরা ফাউল দুটি কারণেঃ
১- সুন্নীরা আমাদের নবীর ব্যাপারে মিথ্যা কথা বলে।
২- খ্রিস্টানরা নবীদের ব্যাপারে অভিযোগ করে, যেমন ঈসা আলাইহিস সালামের ব্যাপারে বলে, যে তিনি মদ খেয়ে মাতাল থাকতেন।
আমি তাকে বললাম, না, খ্রিস্টানরা এ রকম কথা বলে না। লোকটি জবাব দিল, হা, তারা এরকম ই বলে, তুমি বিষয়টি জাননা। এটা বাইবেলে লেখা আছে।
আমি চুপ হয়ে গেলাম। এ ব্যাপারে আর কথা বাড়াতে চাইলাম না। কারণ সে আমাকে সন্দেহের চোখে দেখতে পারে। তাই তাঁর কথাগুলো এড়িয়ে গেলাম। বুঝতে পারলাম, এদের সাথে ডিবেইট করতে হলে অনেক কৌশলী হতে হবে।
২- ইসলাম একসময় একটি অথরিটেটিভ ধর্ম ছিল। মুসলমানরা অনেক সম্মানিত ছিল। কিন্তু এখন তাদেরকে ইচ্ছা থাকলেও বলা খুবই কঠিন যে, তোমরা যে সম্মান ও মর্যাদা এক সময় অর্জন করেছিলে, সেটা কতক অনুকুল পরিবেশের কারণেই সম্ভব হয়েছিল। সেই দিন আর এখন নেই। এমন দিন তোমাদের জন্য আর কখনও আসবেন না।
৩। আমরা মুসলিম স্কলারদের ব্যাপারে খুবই আন ইজি অনুভব করি। কারণ এরা ই আমাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সব চেয়ে বড় বাধা। কারণ এরা এমন লোক, যারা তাদের নীতির ব্যাপারে আপোষ করে না। এরা ক্ষণস্থায়ী ভোগ বিলাস থেকে বিমুখ এবং কুর'আন কারীমে বর্ণিত বেহেশ্তের প্রতি উন্মুখ। লোক জন তাদেরকে অনুসরন করে। এমন কি বাদশাহ পর্যন্ত তাদেরকে ভয় পায়। সুন্নীরা অবশ্য এত কট্টর নয় যেমন শিয়ারা। কারণ শিয়া লোকজন বই পড়েনা। তারা তাদের স্কলারদেরকে শুধু আনুসরন করে প্রতিটি বিষয়ে।
এ সকল বিষয়কে সামনে রেখে আমরা বিভিন্ন কনফারেন্স এর নিয়মিত আয়োজন করলাম।

আমরা এ ব্যাপারে সিরিজ কনফারেন্সের প্রস্তুতি নিলাম। কিন্তু প্রতিবারই শুধু হতাশা আর হতাশা। পথ যেন আমাদের জন্য বন্ধ হয়ে ই আছে। প্রতিটি গোয়েন্দা রিপোর্টে শুধু ই ফ্রাশটেইশন। কিন্তু আমরা হাল ছাড়লাম না। আমরা এমন ধরণের লোক যারা ধৈর্য ধরে গভীর শ্বাস প্রশ্বাস নেয়ার অভ্যাস ডেভেলাপ করেছিলাম।
মিনিস্টার স্বয়ং এবং আরও কিছু স্পেশালিষ্ট আমাদের কনফারেন্সে উপস্থিত হয়েছিলেন। আমরা মোট ২০ জন ছিলাম। ৩ ঘন্টা ব্যাপী আলোচনা চলল। না , কোন ফলাফল নেই। সিদ্ধান্ত ছাড়াই কনফারেন্সের ইতি টানা হল।
তবু একজন প্রিস্ট বললেন। চিন্তার কোন কারণ নেই। মাসায়াহ অজানা জগত থেকে আমাদের উপর তাঁর একটি চোখ সব সময় রাখবেন। আমাদের যা করতে হবে, তা হল, আমাদের নিজেদেরকে শক্তিশালী করতে হবে, মোড়লগিরি ধরে রাখতে হলে মিডিয়া কন্ট্রল করতে হবে। সম্ভাব্য সকল মেথড ফলো করতে হবে। মুসলমানদের মধ্যে খ্রিস্টান ধর্ম প্রচার করতে হবে।
আরেকটি কনফারেন্স।
ইংল্যান্ড, ফ্রান্স এবং রাশিয়া - এ তিনটি দেশ থেকে বিভিন্ন ডিপ্লমেট এবং ধর্মীয় ব্যক্ত্ববর্গ এ কনফারেন্সে উপস্থিত হলেন। আমার ভাগ্য ভাল ছিল। আমিও এ কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলাম, কারন আমার সাথে মন্ত্রীর ভাল সম্পর্ক ছিল। এ কনফারেন্সে আলোচনা হল কীভাবে মুসনমানদের মধ্যে বিভিন্ন গ্রুপ তৈরী করা যায় এবং তাদেরকে কীভাবে খ্রিষ্টান বানানো যায়। কিন্তু এ কনফারেন্সে ও প্রত্যাশা মোতাবেক ফলাফল আসলনা। আর হাঁ,এ কনফারেন্সে কী কী আলোচনা হয়েছিল তা আমি আমার গ্রন্থ "Ilaa Melekoot-il-Meseeh." এর মধ্যে লিপিবদ্ধ করেছি।

একটি বৃক্ষকে উপড়ে ফেলা, যার শিকড় পৃথিবীর গভীরে চলে গেছে- এটা খুবই কঠিন কাজ। কিন্তু আমরা এটাকে অবশ্যই পানিভাত করে ফেলব। খ্রিষ্টান ধর্ম এসেছে নিজেকে ছড়িয়ে দিতে, আমাদের লর্ড জীসাস আমাদেরকে অনুমতি দিয়েছেন। ভাবনার বিষয় ছিল যে, ইস্ট এবং ওয়েস্ট মুহাম্মাদকে সহায়তা করেছিল।এখন আর এটা নেই। সখ্যতা দূর হয়ে যাচ্ছে। আমরা আনন্দের সাথে লক্ষ্য করেছি, পরিস্থিতি সম্পূর্ণ রূপে বদলে গেছে। আমাদের মিনিস্ট্রির আপ্রাণ প্রচেস্টায় এবং অন্যান্য খ্রিষ্টান সরকারের প্রচেস্টায় মুসলমানরা এখন ধংসের পথে। আর খ্রিষ্টান ধর্মের হচ্ছে প্রতিনিয়ত উত্তরণ। এখন আমাদের সময় এসেছে, শতাব্দীর পর শতাব্দী আমরা যে সকল এলাকা হারিয়েছিলাম, সেগুলোর উপর পুণঃনিয়ন্ত্রণ করা।
১৭১০ সালে উপনিবেশবাদের মন্ত্রণালয় আমাকে মিশর, ইরাক, হিজাজ এবং ইস্তাম্বুল পাঠাল। আমি গুপ্তচরগিরী করব এ উদ্দেশ্যে। আমার কাজ ছিল, মুসলমানদের মেরুদন্ড ভেঙ্গে দেয়ার প্রয়োজনীয় তথ্য উপাথ্য সংগ্রহ করা। আমি ছাড়াও আরও ৯ জনকে নিয়োগ দেয়া হল। এক ই কাজে, এক ই সময়ে। আর মিশন সফল করতে আমাদেরকে বিশেষ বিশেষ কিছু নামের তালিকা প্রদান করা হল।
আমি সেক্রেটারী জেনারেলকে নিশ্চিন্ত করলাম, "আই উইল নেভার ফরগেট।"
তিনি বললেন, জেনে রাখ, "আমাদের ভবিষ্যৎ সফলতা সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করছে তোমাদের উপর।"
আমি প্রথম মনস্থ করলাম, ইস্তাম্বুল যাব। মুসলমানদের ঐতিহ্যের একটি প্রাণকেন্দ্র। আর আমাকে সে জন্য তুর্কী ভাষা শিখতে হয়েছিল। আমি লন্ডনে থাকা কালীন সময়ে টারকিশ, এরাবিক, ফার্সি, ভাষা শিখে ফেলেছিলাম। যদিও পুথিগত শিক্ষা অনেক ক্ষেত্রে আঞ্চলিক ভাষা থেকে ভিন্ন। আর সে জন্য আমি বিশেষ করে ইস্তাম্বুলের আঞ্চলিক ভাষা ও রপ্ত করেছিলাম, যাতে লোকজন আমাকে সন্দেহ করতে না পারে।
আমি কখন ও এ সন্দেহ করতাম না যে তারা আমাকে সন্দেহ করবে। কারন, আমি জানি, মুসলমানরা খুব ই উদার প্রকৃতির এবং পরোপকারী। এটা তারা তাদের নবীর কাছ থেকে শিক্ষা নিয়েছিল। তারা আমাদের ন্যায় সন্দেহপ্রবণ নয়। তাছাড়া ঐ সময় তুর্কী সরকারের পক্ষ থেকে গোয়েন্দা বিষয়ক কোন অরগেনাইজেশন ও ছিলনা।
চলবে-

____________________________________________________________
(সম্পূর্ণ কাহিনী জানতে হলে প্রতিটি পর্ব পড়তে হবে। তাই অনুগ্রহপূর্বক সাথে থাকুন।)

ref: https://www.facebook.com/photo.php?fbid=398287697020622&set=a.260763954106331.1073741827.100005181848831&type=1



মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

বেহেশতে জান্নাতি নারীর হুর পাওয়া প্রসঙ্গেঃ

আমাদের প্রশ্ন জাগতেই পারে যে পুরুষেরা যেহেতু জান্নাতে নারী হুর পাবে তাহলে নারীরা জান্নাতে গেলে কি পাবে।??
আল্লাহ পাক আল কুরআনে এরশাদ করেন ,
যে লোক পুরুষ হোক কিংবা নারী, কোন সৎকর্ম করে এবং বিশ্বাসী হয়, তবে তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং তাদের প্রাপ্য তিল পরিমাণ ও নষ্ট হবে না। [সুরা নিসা: ১২৪]
এবার প্রশ্নঃ
আল্লাহ পুরুষ দের কে ডাগর আঁখি বিশিষ্ট হুর , এবং অপরুপা নারী এর কথা বলে জান্নাতের প্রতি অনুপ্রাণিত এবং আগ্রহি করেছেন কিন্তু নারীদেরকে এরকম প্রলুব্ধকর কিছুই বলেন নি কেন ???
জবাবঃ
প্রথম ব্যাপার , আল্লাহ পাক বলেন ,
তিনি যা করেন, তৎসম্পর্কে তিনি জিজ্ঞাসিত হবেন না বরং তাদেরকে জিজ্ঞেস করা হবে। [সুরা আম্বিয়া: ২৩]
তবে শরীয়তের সুনির্দিষ্ট কথাই ইসলামের মূলনীতি অনুসারে হিকমত অনুধাবনের মানসিকতা থাকা কোন দোষের ব্যাপার নয় ।
দ্বিতীয় ব্যাপারঃ
নারীদের কে পুরুষ হুর এর কথা উল্লেখ করলে নারীরা নিজেই আল কুরআনে এই লেখা পড়ে লজ্জিত হতো ।
তৃতীয় দিকঃ
নারীরা যেহেতু একই স্থান, কাল ও পাত্রে একটি মাত্র সন্তান জন্ম দিতে পারে এবং পুরুষ যেহেতু একাধিক জন্ম দেয়ার ক্ষমতা রাখে সেহেতু পুরুষকেই সাধারণত বহুগামী হতে দেখা যায়।
আর নারীর প্রতি নরের যেই আকর্ষণ , নরের প্রতি নারীর আকর্ষণ ঠিক তেমনটি নয় । যার কারনে আল্লাহ জান্নাতে নারীর কথা বলে নরকে আগ্রহী করেছেন , কিন্তু নারীর ক্ষেত্রে নীরবতা পালন করেছেন।
সর্বশেষ ব্যাপারঃ
আল্লাহ পাক স্ত্রীদের কথা উল্লেখ করেছেন স্বামীদের জন্য , কারন স্বামী ই হোল স্ত্রি এর প্রতি মোহিত এবং তার কামনাকারী ।এজন্যই জান্নাতে নারীর কথা বলে পুরুশদের আগ্রহী করা হয়েছে কিন্তু নারীদের ব্যাপারে নীরব থাকা হয়েছে। কিন্তু এর মানে এই নয় যে তাদের স্বামী থাকবে না বরং তাদেরও স্বামী থাকবে আদম সন্তানদের মধ্য থেকে।
এবার প্রশ্নঃ যে নারী বিয়ের আগেই মারা গেছেন জান্নাতে তার কি হবে? তাকে কার সাথে বিয়ে দেওয়া হবে?
জবাবঃ যে মহিলার বিয়ে হয়নি, তাহলে তার জন্য অনুমতি আছে, সে ইচ্ছে করলে জান্নাতী কোন অবিবাহিত পুরুষকে বিয়ে করতে পারবে। আর না চাইলে পুরুষ হুর আল্লাহ তাআলা সৃষ্টি করে তার সাথে বিয়ে করিয়ে দিবেন। ।
আবু হুরায়রা (রা) হতে বর্ণিত
‘কেয়ামতের দিন যে দলটি প্রথম জন্নাতে প্রবেশ করবে,তাদের চেহারা হবে পূর্ণিমার চাঁদের মত উজ্জ্বল; আর তৎপরবর্তী দলের চেহারা হবে আসমানে মুক্তার ন্যায় ঝলমলে নক্ষত্রের মতো উজ্জ্বল। তাদের প্রত্যেকের থাকবে দু’জন করে স্ত্রী যাদের গোশতের ওপর দিয়েই তাদের পায়ের গোছার ভেতরস্থ মজ্জা দেখা যাবে। আর জান্নাতে কোনো অবিবাহিত থাকবে না।’ [মুসলিম : ৭৩২৫]
২য় প্রশ্নঃ কোন নারীর স্বামী যদি জাহান্নামী হয় তাহলে সে নারীর কি জান্নাতী‘হুর (পুরুষ)’ থাকবে??? তার স্বামী যদি কোন সময় জাহান্নাম থেকে
মুক্তি পেয়ে জান্নাতি হয় তাহলে সে কি তার দুনিয়ার স্ত্রীর সাথে মিলিত
হবে?
জবাবঃ
জাহান্নাম থেকে মুক্তির পর স্বামীর সাথে মিলিত হবে জান্নাতী স্ত্রী। আর যদি স্বামী চিরস্থায়ী জাহান্নামী হয়, তাহলে তার এখতিয়ার থাকবে, সে ইচ্ছে করলে অবিবাহিত জান্নাতী পুরুষও বিয়ে করতে পারে, অথবা পুরুষ হুরও বিয়ে করতে পারে।
সর্বশেষ বোনদের জন্য আমার কিছু কথাঃ
আপনি জান্নাতে হুর পাবেন নাকি পাবেন না তা কিন্তু খুব জটিল কোন বিষয় না কারন আল কুরআন এবং হাদিসে বার বার বলা আছে যে সেখানে আপনি যা চাইবেন তাই পাবেন ।
মনে রাখুন " যা চাইবেন তাই "
রাসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: আল্লাহ বলেন: আমি আমার নেক বান্দাদের জন্য এমন (নেয়ামতসমূহ) বানিয়ে রেখেছি যা কোন চোখ দেখে নাই এবং কোন কান শুনে নাই এবং কোন মানুষের অন্তরে যার চিন্তাও আসে নাই।
বুখারি শরিফ: ভলি:৯, বুক: ৯৩, নম্বর: ৫৮৯
মুসলিম শরিফ: বুক: ৪০, চ্যাপ্টার: ১, নম্বর ৬৭৮০, ৬৭৮১, ৬৭৮২, ৬৭৮৩
কেউ জানে না তাদের কৃতকর্মের জন্য কী কী চক্ষু-তৃপ্তিদায়ক প্রতিদান লুকায়িত আছে।[৩২:১৭]
তারা চিরকাল বসবাসরত অবস্থায় সেখানে যা চাইবে, তাই পাবে। [২৫:১৬]
আর যারা মুমিন ও সৎকর্মী, তারা জান্নাতের উদ্যানে থাকবে। তারা যা চাইবে, তাই তাদের জন্যে তাদের পালনকর্তার কাছে রয়েছে। এটাই বড় পুরস্কার। [৪২:২২]

 https://www.facebook.com/Allahr.Pothe.Mujahid/posts/493880017344312

SOCIALISM: MAKING EVERYONE EQUALLY POOR SINCE 1917

SOCIALISM: 
MAKING EVERYONE EQUALLY POOR SINCE 1917

SOCIALISM:
SOCIALISM: 
MAKING EVERYONE EQUALLY POOR SINCE 1917

বিবর্তনবাদ আর কত মানুষকে বোকা বানাবে?

বিবর্তনবাদ আর কত মানুষকে বোকা বানাবে?
বিবর্তনবাদ আর কত মানুষকে বোকা বানাবে?
বিবর্তনবাদ আর কত মানুষকে বোকা বানাবে?

মাতৃগর্ভে সন্তানের হাড় আগে হয় না মাংশ আগে ?

মাতৃগর্ভে সন্তানের হাড় আগে হয় না মাংশ আগে ?
মাতৃগর্ভে সন্তানের হাড় আগে হয় না মাংশ আগে ?

মোঘল সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফর

মোঘল সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফর 

মোঘল সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফর
মোঘল সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফর

সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

পিস্ টিভি রহস্স্য - কিভাবে শব্দের অর্থ অনুবাদের নামে বিকৃতি করা হয়?

আজকাল হাজার বছর পর ইসলাম রিসার্চ এর নামে শব্দের অর্থ অনুবাদের নামে বিকৃতি করার অপপ্রয়াস চালানো হচ্ছে।



পিচ্ টিভির রেফেরান্স করা উক্ত অনুবাদক মুহাম্মদ আসাদ, জন্ম ১৯০০ সনে, বর্তমান পোলান্ডের লেমবার্গ শহরে, এক ইহুদী রাব্বী বা পুরোহীত পরিবারে।
তাঁর স্ত্রী পোলা হামিদা আসাদকে নিয়ে প্রায় ২৬/২৭ বছর বাস করেছিলেন মরক্কোর তানজিয়ার্স শহরে। তিনি রাবেতা আলম ইসলামীর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন কুরআনুল কারীমের একখানি সংক্ষিপ্ত তাফসীরসহ তরজমা করার জন্য। প্রথম দশ পারার তাফসীর প্রকাশিত হলে কোন কোন আলিম, তাঁর কোন কোন ব্যাখ্যা সম্পর্কে ভিন্নমত পোষণ করেন।
প্রায় সব অনুবাদকগণ হুর এর অর্থ করেছেন স্ত্রী লিঙ্গ। কিন্তু উনি বলছেন হুর মানে মহিলা বা পুরুষ হবে অথবা কোনো লিঙ্গ নেই।

তাই ওনার মতের বিপরীত অনুবাদকদের অনুবাদ উপস্থাপন করেনি।
পিচ্ টিভি সহি কোরান ও হাদিস ছাড়া কিছু মানা যাবেনা মুখে বল্লেও, ১৩০০ বছর পরে একজন আসাদ(ইহুদি বংশোদ্ভুত) ও ইউসুফ আলীর(শিয়া চিন্তা ধারার) নতুন মতামত কে গ্রহন করছে। এই সবই হচ্ছে "ইসলামিক রিসার্স" এর নামে! আসুন জানি এরা আসলে কারা?...
আসুন দেখি তার কিছু আকিদা
https://www.youtube.com/watch?v=IgXM33jRLKE

ভিডিওটি ডাউনলোড করে মোবাইলে প্রচার করুন!
ফেইসবুক এ শেয়ার করুন।
মহান আল্লাহ আপনার উত্তম প্রতিদান দিন!