মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০১৫

বাউল দর্শনঃ একটি স্বতন্ত্র ধর্ম.

সত্যানুসন্ধানী সুমন wrote a new note: বাউল দর্শনঃ একটি স্বতন্ত্র ধর্ম.
বাউল গুরু ও তাদের অনুসারীদের নাম দেখে অনেকেই হয়ত মনে করেন তারা মুসলিম (বা হিন্দু)।আসলে কিন্তু তা নয়।বাউল দর্শন একটি আলাদা ধর্ম।
আসলে বাউল দর্শন হচ্ছে বৈষ্ণবধর্ম ও সুফীবাদের জগাখিচুরি।






বাউল শব্দটির উৎপত্তি নিয়ে মতান্তর রয়েছে। কেউ বলেন ‘বাতুল’ থেকে ‘বাউল’ হয়েছে, কারো মতে ‘বজ্রী’ থেকে কিংবা ‘বজ্রকুল’ থেকে বাউল শব্দটি এসেছে। কেউ কেউ বলেন ‘আউল’ শব্দ থেকে ‘বাউল হয়েছে। ইতিহাসবিদদের মতে, সতেরো শতকে বাংলাদেশে বাউল মতের উদ্ভব হয়। এ মতের প্রবর্তক হলেন আউল চাঁদ ও মাধববিবি। বীরভদ্র নামে এক বৈষ্ণব মহাজন সেই সময়ে একে জনপ্রিয় করে তোলেন।
বাউলদর্শনের মুল ভিত্তি হচ্ছে দেহতত্ত্ব। দেহকে বাউলগণ পরম সম্পদ বলে মনে করেন। তাদের সাধনার মূল হল এই মানব দেহ। তাদের মতে মানব দেহের মধ্যেই আল্লাহ বা ভগবান বিরাজমান। মানব দেহকে আশ্রয় করে সাধন-ভজন করে মনের মানুষকে উপলব্ধি করাই তাদের আধ্যাত্মিক লক্ষ্য। বাউলরা মনে করেন বিশ্ব স্রষ্টা যা কিছু সৃষ্টি করেছেন তার সমসত্মই এই মানব দেহে বিদ্যমান আছে। সুতরাং তাদের মতানুসারে ঈশ্বরকে খোঁজার জন্য দেহের বাইরে যাওয়ার কোন প্রয়োজন নেই।

বাউল সাধকদের সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছেন লালন সাঁই। লালন তার বিপুল সংখ্যক গানের মাধ্যমে বাউল মতের দর্শন এবং অসাম্প্রদায়িকতার প্রচার করেছিলেন। এছাড়াও বাউল কবিদের মধ্যে জালাল খাঁ, রশিদ উদ্দিন, হাছন রাজা, রাধারমণ, সিরাজ সাঁই, পাঞ্জু সাঁই, পাগলা কানাই, শীতলং সাঁই, দ্বিজদাস, হরিচরণ আচার্য, মনোমোহন দত্ত, লাল মাসুদ, সুলা গাইন, বিজয় নারায়ণ আচার্য, দীন শরৎ (শরৎচন্দ্র নাথ), রামু মালি, রামগতি শীল, মুকুন্দ দাস, আরকুন শাহ্‌, সিতালং ফকির, সৈয়দ শাহ্‌ নূর, শাহ আব্দুল করিম, উকিল মুন্সি, চান খাঁ পাঠান, তৈয়ব আলী, মিরাজ আলী, দুলু খাঁ, আবেদ আলী, উমেদ আলী, আবদুল মজিদ তালুকদার, আবদুস সাত্তার, খেলু মিয়া, ইদ্রিস মিয়া, আলী হোসেন সরকার, চান মিয়া, জামসেদ উদ্দিন, গুল মাহমুদ, প্রভাত সূত্রধর, আবদুল হেকিম সরকার, ক্বারী আমির উদ্দিন, শেখ মদন, দুদ্দু সাঁই,কবি জয়দেব, কবিয়াল বিজয়সরকার, ভবা পাগলা, নীলকণ্ঠ, দ্বিজ মহিন, পূর্ণদাস বাউল, খোরশেদ মিয়া, মিরাজ উদ্দিন পাঠান, আব্দুল হাকিম, মহিলা কবি আনোয়ারা বেগম ইত্যাদির নাম উল্লেখযোগ্য।
বাউলরা যে হিন্দু বা মুসলিম নয় তা লালন তার গানে বলে গেছেনঃ
সব লোকে কয় লালন কি জাত সংসারে।
লালন বলে জাতের কি রূপ
দেখলাম না এই নজরে।।
কেউ মালায় কেউ তসবি গলায়,
তাইতে যে জাত ভিন্ন বলায়।
যাওয়া কিম্বা আসার বেলায়,
জাতের চিহ্ন রয় কার রে।।
যদি ছুন্নত দিলে হয় মুসলমান,
নারীর তবে কি হয় বিধান?
বামন চিনি পৈতা প্রমাণ,
বামনী চিনি কিসে রে........
বাউল সাধনা খুবই নোংরা ও অসামাজিক। যৌনাচার এই সাধনার অপরিহার্য অঙ্গ। ড. আহমদ শরীফের ভাষায় কামাচার বা মিথুনাত্বক যোগসাধনাই বাউল পদ্ধতি। বাউল সাধনায় পরকীয়া প্রেম এবং গাঁজা সেবন প্রচলিত। বাউলরা বিশ্বাস করে যে, কুমারী মেয়ের রজঃপান করলে শরীরে রোগ প্রতিরোধক তৈরী হয়। তাই বাউলদের মধ্যে রজঃপান একটি সাধারন ঘটনা। এছাড়া, তারা রোগমুক্তির জন্য স্বীয় মুত্র ও স্তনদুগ্ধ পান করে। সর্বরোগ থেকে মুক্তির জন্য তারা মল, মুত্র, রজঃ ও বীর্য মিশ্রণে প্রেমভাজা নামক একপ্রকার পদার্থ তৈরি করে তা ভক্ষণ করে। একজন বাউলের একাধিক সেবাদাসী থাকে। এদের অধিকাংশই কমবয়সী মেয়ে। (বা.বা পৃ ৩৫০, ৩৮২)
‪#‎নাস্তিকরা‬ নিজেদের বিজ্ঞানমনস্ক পরিচয় দিলেও এইরকম নোংরা মতবাদকে প্রমোট করে থাকে।আসলে এটি মানুষকে ধর্ম থেকে দূরে সরানোর একটি ভয়ংকর কৌশল।অধিকাংশ বাউল সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস করে, কিন্তু সৃষ্টিকর্তা সম্পর্কে তাদের ধারণা অস্পষ্ট। আবার নাস্তিকরা সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বে বিশ্বাসী নয়।কিন্তু একটি জায়গায় উভয়ের দারুন মিল।তা হল- ধর্মীয় আচার ও আনুষ্টানিকতার ঘোর বিরোধী তারা। যেহেতু আমাদের দেশের মুসলিম প্রকৃত ইসলাম সম্পর্কে অজ্ঞ তাই নাস্তিকরা এই মতবাদকে প্রমোট করে প্রথমে আল্লাহ তায়ালা সম্পর্কে সংশয়ে ফেলে, অতঃপর ধীরে ধীরে ধর্মকর্ম থেকে দুরে সরায়।আর একটি বিষয় হলো এই মতবাদ দ্বারা তাদের কাঙ্ক্ষিত ফ্রি সেক্সের বিজ্ঞাপন করা যায়।
এই চক্রান্ত থেকে মুসলিমদের রক্ষা করার জন্য কুরআন ও সহীহ হাদীছের অধিক ও প্রচার ও আল্লাহর নিকট অধিক সাহায্য চাওয়ার বিকল্প নেই।আসুন সবাই নাস্তিক ও বাউলদের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলি।
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে ঈমানের উপর দৃঢ় রাখুন।আমীন।
(শেয়ার ও কপি করা যাবে)

সোমবার, ১৮ মে, ২০১৫

ইয়াহুদি ও ওদের দালালরাদের থেকে সাবধান থাকুন বাচ্ছাদেরও রাখুন

এই সমাজে ইদানিং আপনার আমার ও হক্কানি আলেম ওলামাদের চোখ ফাকি দিয়ে ইয়াহুদি ও ওদের দালালরা কিভাবে ভুল নামাজ শিখাচ্ছে দেখুন এদের থেকে সাবধান থাকুন বাচ্ছাদেরও রাখুন ।
(মোঃআমির হোসেন)



 



শনিবার, ১৬ মে, ২০১৫

টাই বাবা হুর শব্দের মানে বিকৃতি করে বলেছেন এর অর্থ দামড়া বেডা,

টাই বাবা হুর শব্দের মানে বিকৃতি করে বলেছেন এর অর্থ দামড়া বেডা,
এইটা  শুনে তার অন্ধ ভক্তরা আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়েছেন কারণ টাই বাবার বউ জান্নাতে গেলে এমন ৭০ পিস দামড়া বেডা সঙ্গী পাবেন, এবার বুঝেই দেখুন ঠেলাটা।

(ভিডিও টি দেখার সময় সেফটি মুড অফ করে নিতে হবে )


শুক্রবার, ১৫ মে, ২০১৫

মানুষ যখন প্রতারিত হয় তখন সে বুঝতে পারে না, সে প্রতারিত হচ্ছে !! এটাই কঠিন সত্য !

মানুষ যখন প্রতারিত হয় তখন সে বুঝতে পারে না, সে প্রতারিত হচ্ছে !! এটাই কঠিন সত্য !



তথাকথিত সহি/বিশুদ্ধ খুজতে গিয়ে মাথা নষ্ট করবেন না।

তথাকথিত সহি/বিশুদ্ধ খুজতে গিয়ে মাথা নষ্ট করবেন না।
আপনার চারপাশেই বিশুদ্ধ ভরপুর, এই সহি আপনাকে তাই বাবার কাছ থেকে জানতে হবে না...
তথাকথিত সহি আন্দোলন হচ্ছে, ব্রিটিশদের করা শত বছরের ষড়যন্ত্র যেমন, কাদিয়ানী, আলে হাদস, পিস টিভি
আপনি আরো খেয়াল করলে দেখবেন, পিস টিভিতে ইসলাম প্রচার করা হয় না বরং, সাধারণ সুন্নিদের মনে হাদিস নিয়ে সন্দেহ বাজানোই তার মূল কাজ।

১৪০০ বছরের ইসলামে টিভিতে এসে প্রচার করা হয় নাই,
দীনের ফুল টাইম দায়ী কখনো বিজাতিদের পোশাক পরেনি,
শিয়াদের অনুবাদ করা কোরান অনুসরণ করা হয়নি, কিন্তু টাই নায়েক অনুসরণ করছেন,
বিধর্মীদের সাথে কখনো তর্ক যুদ্বের দ্বারা ইসলাম প্রচার করা হয় নাই,
শিক্ষিত/আলেমদের এর আগে কখনো পাইকারী হারে গালাগালি করা হয় নাই (একটু চিন্তা করে দেখেন এই কাজটি ঠিক কিনা)



এই সবই হচ্ছে ব্রিটিশদের ষড়যন্ত্র, আপনি বলতে পারেন ব্রিটিশদের কি ঠেকা লাগছে মুসলমানদের নিয়ে ষড়যন্ত্র করবে, আমি বলব আপনি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে একটু হোমওয়ার্ক করেন,বিশ্বাস না হয়, আপনি সুন্নিদের একটা প্রশ্ন টাই বাবারে করে দেখতে পারেন, আপনাকে তারা চান্সই দিবে না, তারা আপনার ধর্মীয় দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে মদন বানাবে।


কষ্ট করে ৪মিনিটের ভিডিও টি দেখলে আপনার মাথা ঠান্ডা হতে পারে...


{"শিয়াদের কোরান দিয়ে সুন্নিদের বোঝানো। উদ্দেশ্য খারাপ!"
https://youtu.be/4namXoL-o1Q
(আমি দুঃক্ষিত যে, ভিডিওটি দেখার জন্য সেফটি মুড অফ করে নিতে হবে )}

আপনারা রাজ পথে পুলিশের পিটুনি খাচ্ছেন


তারা আমাদের দেশের ভবিষ্যত মা ও শিশুদের ইসলামের নাম ভুল ভাবে ব্রেন ওয়াস করে কিন্তু নিজেররা তা বিশ্বাস করে না, ক্ষমতার জন্য নিজের বউ ছেলে মেয়ে কখনোই রাজপথে পুলিশের সামনে আনেন না। আপনারা রাজ পথে পুলিশের পিটুনি খাচ্ছেন তখন আপনাদের নেতা ও তাদের সন্তানরা আপনাদের সাথে কি রসিকতাইনা করছে !



আপনি কি এখনো বুজতে পারেননি ইসলামের নামে আপনাকে ভুল বোঝানো হয়েছে, আলেমদের ঘৃনা করতে শেখানো হয়েছে, তারা যাই শিখিয়েছে তাই শিখেছেন, ধর্মের প্রতি অগাধ বিশ্বাস ও দুর্বলতাকে পুজি করে আপনাকে প্রতারিত করা হয়েছে!!!



শিবিরের কোমলমতি কম বয়সী কর্মীরা নিজেরাও জানেনা ইসলামের নামে তাদেরকে দিয়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করছে। (উল্লেখ্য: জামাত/শিবির একটি শিয়া অর্থায়নে পরিচালিত আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী সংগঠন)



{"শিয়াদের কোরান দিয়ে সুন্নিদের বোঝানো। উদ্দেশ্য খারাপ!"
https://youtu.be/4namXoL-o1Q
(আমি দুঃক্ষিত যে, ভিডিওটি দেখার জন্য সেফটি মুড অফ করে নিতে হবে )}

কাজী ইব্রাহিম ছাহেবের কারামত ৩৬ দিনে ৩০ পারা কোরান মুখস্ত,


একদিনে, একটি আয়াত না, একটি সুরাও না, একদিনে পুরো একটি পারা, আর এভাবে ৩৬ দিনে একটি ৩০ পারা কোরান মুখস্ত করা!

(ভিডিওটি দেখার জন্য সেফটি মুড অফ করে নিতে হবে )

একজনের গড়ে ৪ পৃষ্ঠা পাঠ করতে ৬ মিনিট লাগে
তাহলে, ২০ পৃষ্ঠা বা এক পারা পাঠ করতে লাগবে (৬x ২০) /৪ = ৩০ মিনিট সময়
অর্থাত এক পারা কোরান শরিফ ১ ঘন্টায় শুধু মাত্র ২ বার টানা রিডিং পড়া সম্ভব!

এখন প্রশ্ন থাকতে পারে আপনি কত বার রিডিং পড়ে এক পারা একদিনে মুখস্ত করেছেন?
যদি বলেন অলৌকিক তাহলে তো কোনো কথাই নেই।।

কমেন্ট এবং সাবস্ক্রাইব করুন ও লাইক দিন !

শেয়ার করে অশেষ সয়াব লাভ করুন, আমিন ।।


https://youtu.be/RNCTk_0ugHg